Kajli Briefing

Kajli Briefing কাজলী ব্রিফিং(Kajli Briefing)একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ব্লগ। আপনার প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় তথ্যের সংক্ষিপ্ত সারমর্ম।
(1)

14/07/2026

"A colorful mosaic of life, stories, and unique experiences. Bringing together the essence of literature and the beauty of real-life moments."

11/07/2026

মহাকাশে প্রকাণ্ড আয়না বসানোয় অনুমতি দিল আমেরিকার সরকার।

শরীরের ওজন এবং ভুঁড়ি কমানোর জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা সবচেয়ে জরুরি। নিচে আপনার জন্য কিছু কার্যকর নির্দেশিকা দেওয়া হ...
02/07/2026

শরীরের ওজন এবং ভুঁড়ি কমানোর জন্য খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা সবচেয়ে জরুরি। নিচে আপনার জন্য কিছু কার্যকর নির্দেশিকা দেওয়া হলো:
যা যা খাবেন (উপকারী খাবার)
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার: প্রোটিন পেট অনেকক্ষণ ভরা রাখতে সাহায্য করে। খাদ্যতালিকায় মাছ, মুরগির মাংস (চামড়া ছাড়া), ডাল, ডিমের সাদা অংশ এবং পনির রাখুন।
ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার: বেশি পরিমাণে শাকসবজি এবং ফলমূল খান। শসা, টমেটো, গাজর, ব্রকলি, পালং শাক এবং মৌসুমি ফল আপনার শরীরের বিপাক হার (metabolism) বাড়াতে সাহায্য করবে।
হোল গ্রেইন বা শস্যদানা: সাদা চাল বা ময়দার পরিবর্তে লাল চালের ভাত, ওটস, বা লাল আটার রুটি খাওয়ার অভ্যাস করুন।
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট: অল্প পরিমাণে বাদাম, কাঠবাদাম, চিয়া সিড বা তিসির বীজ খেতে পারেন।
প্রচুর জল: দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল পান করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ইষদুষ্ণ জল বা লেবুর জল পান করা ভুঁড়ি কমাতে দারুণ কার্যকর।
গ্রিন টি: চিনি ছাড়া গ্রিন টি বিপাক প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে।
যা যা খাবেন না (বর্জনীয় খাবার)
চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার: মিষ্টি, কোল্ড ড্রিংকস, আইসক্রিম বা চিনিযুক্ত চা-কফি একেবারেই বাদ দিন। পেটের মেদ বা ভুঁড়ি জমার প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত চিনি।
প্রসেসড ও ফাস্ট ফুড: বাইরের ভাজা পোড়া, বার্গার, পিৎজা, চিপস এবং প্যাকেটজাত খাবারে প্রচুর ক্যালরি ও ট্রান্স ফ্যাট থাকে যা ওজন বাড়ায়।
ময়দার তৈরি খাবার: বিস্কুট, সাদা পাউরুটি, পরোটা বা ময়দার তৈরি যেকোনো খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।
অতিরিক্ত তেল ও মশলা: রান্নায় তেলের ব্যবহার কমিয়ে দিন। ডুবো তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন।
রাতের বেলা ভারী খাবার: ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার চেষ্টা করুন।
কিছু জরুরি টিপস
১. অংশ নিয়ন্ত্রণ (Portion Control): একবারে অনেক বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার খান। খাবারের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে আনুন।
২. হাঁটাচলা: অফিসে কাজের চাপে থাকলেও সুযোগ পেলে একটু হাঁটুন। লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।
৩. পর্যাপ্ত ঘুম: দিনে ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অপরিহার্য।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ঐতিহাসিক 'পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ বিল, ২০২৬' (West Bengal Public Sa...
30/06/2026

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ঐতিহাসিক 'পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ বিল, ২০২৬' (West Bengal Public Safety and Control of Anti-Social Activities Bill, 2026), যা মূলত 'গুন্ডা দমন বিল' নামে পরিচিত, সোমবার পাস হয়েছে।
এই বিল সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
ভোটাভুটি: বিলটির পক্ষে ১৭৬টি ভোট পড়ে এবং বিপক্ষে ৪১টি ভোট পড়ে। এছাড়া ২০ জন সদস্য ভোটাভুটিতে বিরত ছিলেন।
বিলটির মূল লক্ষ্য: রাজ্য সরকার এই বিলের মাধ্যমে রাজ্যে সংগঠিত অপরাধ, সিন্ডিকেট রাজ, অবৈধ খনি ও বালি পাচার এবং আন্দোলনের নামে হিংসাত্মক কার্যকলাপ রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে চায়।
মুখ্যমন্ত্রীর হুশিয়ারি: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় এই বিল পাস হওয়ার পর কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সমাজবিরোধী এবং গুন্ডাদের বিরুদ্ধে এই সরকার 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করবে।
প্রধান বৈশিষ্ট্য:
প্রতিরোধমূলক আটক: কোনো বিচার ছাড়াই সমাজবিরোধীদের এক বছর পর্যন্ত আটক রাখার সংস্থান রাখা হয়েছে।
সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত: যারা আন্দোলনের নামে বা অন্য কোনো উপায়ে সরকারি ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নষ্ট করবে, তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে। প্রয়োজনে অপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ব্যবস্থাও রয়েছে।
জেলা থেকে বহিষ্কার (Externment): কোনো ব্যক্তি সমাজবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত থাকলে তাকে নির্দিষ্ট এলাকা বা জেলা থেকে এক বছরের জন্য নির্বাসিত করার ক্ষমতা প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়েছে।
কঠোর সংজ্ঞা: বিলে 'গুন্ডা' এবং 'সমাজবিরোধী' কার্যকলাপের পরিধি স্পষ্ট করা হয়েছে, যার মধ্যে অপরাধীদের আড়াল করা বা তাদের সহায়তাকারীরাও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আশ্বস্ত করেছেন যে, এই আইনের অপব্যবহার বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে এর ব্যবহার রোধে যথাযথ সুরক্ষা কবচ রাখা হয়েছে।

আজকের দিন অর্থাৎ ২৯ জুন, ২০২৬, সোমবারের রাশিফল নিচে দেওয়া হলো:মেষ: আজ আপনার দিনটি বেশ শুভ হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতি...
29/06/2026

আজকের দিন অর্থাৎ ২৯ জুন, ২০২৬, সোমবারের রাশিফল নিচে দেওয়া হলো:

মেষ: আজ আপনার দিনটি বেশ শুভ হতে পারে। কর্মক্ষেত্রে অগ্রগতি বজায় থাকবে এবং বুদ্ধিদীপ্ত কাজের মাধ্যমে সাফল্য পাবেন। দাম্পত্য জীবন সুখের হবে এবং সন্তানদের দিক থেকেও ভালো খবর পেতে পারেন।
বৃষ: আজ আপনাকে কিছুটা সতর্ক থাকতে হতে পারে। প্রতিবেশীদের সাথে মেলামেশায় বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিন। স্বাস্থ্য বা ঋণের বিষয়ে উদ্বেগ থাকতে পারে।
মিথুন: আজকের দিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য ভালো। তবে আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন এবং কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন। আধ্যাত্মিক কাজে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা আছে।
কর্কট: আজ লক্ষ্যের দিকে ফোকাস বাড়ালে ভালো ফল পাবেন। জমি, বাড়ি বা যানবাহন ক্রয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। ব্যবসায়িক দিক থেকেও দিনটি ইতিবাচক।
সিংহ: কর্মক্ষেত্রে কাজের গতি বাড়বে এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। শেয়ার বাজারে লাভের যোগ থাকলেও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভেবেচিন্তে এগোবেন।
কন্যা: আজ আপনি পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে স্ত্রীর সহায়তায় বিশেষ কোনো কাজের সুযোগ পেতে পারেন। দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ আসতে পারে।
তুলা: ব্যবসায় আজ মুনাফা ও আর্থিক উন্নতির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে মাতৃস্থানীয়া কারো সাথে মতবিরোধ এড়িয়ে চলাই ভালো হবে।
বৃশ্চিক: আজ কোনো মূল্যবান জিনিস নষ্ট হওয়ার যোগ থাকতে পারে, তাই একটু সতর্ক থাকুন। বন্ধুদের থেকে কিছুটা ক্ষতির সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
মকর: আর্থিক বিষয়ে কাউকে সাহায্য করার চেয়ে নিজেই নিজের দিকে বেশি নজর দেওয়া প্রয়োজন। জীবিকার ক্ষেত্রে কিছুটা পরিশ্রমের প্রয়োজন হতে পারে।
অন্যান্য রাশির জাতক-জাতিকারাও আজকের দিনটি ধৈর্য ও সতর্কতার সাথে কাটালে ভালো ফল পাওয়ার আশা রাখতে পারেন।

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (Uniform Civil Code বা UCC) হলো একটি প্রস্তাবিত অভিন্ন আইন, যা ভারতের সমস্ত ন...
26/06/2026

অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউনিফর্ম সিভিল কোড (Uniform Civil Code বা UCC) হলো একটি প্রস্তাবিত অভিন্ন আইন, যা ভারতের সমস্ত নাগরিকের জন্য তাদের ধর্ম, জাতি বা লিঙ্গ নির্বিশেষে ব্যক্তিগত পারিবারিক বিষয়গুলোতে সমান নিয়ম বজায় রাখার কথা বলে। এটি বিবাহ, বিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং ভরণপোষণের মতো বিষয়গুলোকে পরিচালনা করবে।
উত্তরাখণ্ডের UCC মডেলের পরিপ্রেক্ষিতে এই সংক্রান্ত নিয়মগুলো সম্পর্কে একটি প্রাথমিক ধারণা নিচে দেওয়া হলো:
১. লিভ-ইন সম্পর্ক (Live-in Relationships)
উত্তরাখণ্ডের প্রস্তাবিত বা কার্যকর হওয়া নিয়ম অনুযায়ী, লিভ-ইন সম্পর্কে থাকতে ইচ্ছুক যুগলদের সেটি নিবন্ধন (Registration) করা বাধ্যতামূলক।
নিবন্ধন: সম্পর্ক শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরে গিয়ে তা নথিভুক্ত করতে হয়।
শর্ত: এই সম্পর্ক কেবল একজন পুরুষ ও একজন নারীর মধ্যে হতে হবে। উভয়কেই অবিবাহিত বা আইনত মুক্ত হতে হবে।
শাস্তি: যদি এই নিয়ম মেনে কেউ নিজের লিভ-ইন সম্পর্কের কথা গোপন করেন বা নিবন্ধন না করেন, তবে সেই ব্যক্তিকে জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ডের সম্মুখীন হতে হতে পারে।
২. বিচ্ছেদের (Divorce) ক্ষেত্রে নিয়ম
UCC-এর মূল লক্ষ্য হলো ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইনের বদলে একটি অভিন্ন ও সুশৃঙ্খল বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া তৈরি করা।
অভিন্ন নিয়ম: বর্তমানে বিভিন্ন ধর্মের জন্য আলাদা বিচ্ছেদ আইন রয়েছে। UCC কার্যকর হলে সমস্ত নাগরিকের জন্য বিচ্ছেদের grounds বা কারণগুলি (যেমন—নিষ্ঠুরতা, পরিত্যাগ বা পারস্পরিক সম্মতি) অভিন্ন হতে পারে।
ভরণপোষণ: ভরণপোষণ বা অ্যালিমোনির বিষয়টি ধর্মীয় বিধানের পরিবর্তে স্বচ্ছ আর্থিক স্বচ্ছলতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সহজীকরণ: আইনি জটিলতা কমিয়ে বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও স্বচ্ছ করার চেষ্টা করা হয়।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা UCC নিয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। রাজ্য সরকার বা দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এবং অন্যান্য রাজ্যের মডেল (যেমন গুজরাট বা অসম) অনুসরণ করে পশ্চিমবঙ্গেও UCC কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বা নীতিগত অঙ্গীকার হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মনে রাখবেন যে, UCC একটি জটিল এবং বিবর্তনশীল বিষয়। প্রতিটি রাজ্যের ক্ষেত্রে এর ধারা বা নিয়মে কিছু পরিবর্তন থাকতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও চূড়ান্ত খসড়া এবং আইন পাস হওয়ার সময় আইনটির বিস্তারিত নিয়মগুলো পরিষ্কার হবে।

পশ্চিমবঙ্গে UCC নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখতে পারেন: পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি
https://youtu.be/ioQF_FW6KUE?si=NFztAp025cVP94UO

#আধুনিকসমাজ #আইনিসচেতনতা #ব্যক্তিগতঅধিকার
#অভিন্নদেওয়ানিবিধি #আইন #পশ্চিমবঙ্গ #ভারত

এ পি জে আব্দুল কালাম: স্বপ্নের উড়ানড. এ পি জে আব্দুল কালামের জীবন কোনো রূপকথার গল্পের চেয়ে কম নয়। তিনি কোনো ধনী পরিবারে ...
26/06/2026

এ পি জে আব্দুল কালাম: স্বপ্নের উড়ান
ড. এ পি জে আব্দুল কালামের জীবন কোনো রূপকথার গল্পের চেয়ে কম নয়। তিনি কোনো ধনী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেননি, বরং দক্ষিণ ভারতের রামেশ্বরে একটি সাধারণ মৎস্যজীবী পরিবারে তার বেড়ে ওঠা।
১. সংগ্রামপূর্ণ শৈশব:
ছোটবেলায় পরিবারের অভাব ঘোচাতে তিনি ভোরে উঠে সংবাদপত্র বিলি করতেন। পড়াশোনার প্রতি ছিল প্রবল আগ্রহ। অভাবের কারণে অনেক সময় কেরোসিনের বাতির বদলে কুপি জ্বালিয়ে পড়তে হতো তাকে। তবুও তার চোখে ছিল বড় হওয়ার স্বপ্ন।
২. ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা:
তিনি বিমান চালক (Pilot) হতে চেয়েছিলেন। ভারতীয় বিমান বাহিনীর নিয়োগ পরীক্ষায় তিনি নবম স্থান অধিকার করেছিলেন, কিন্তু ওই বছর আটটি পদই খালি ছিল। অর্থাৎ, মাত্র একজনের জন্য তিনি স্বপ্ন পূরণ করতে পারেননি। সেই মুহূর্তটি তার জীবনের অন্যতম বড় ধাক্কা ছিল। কিন্তু তিনি ভেঙে পড়েননি। তিনি সেই ব্যর্থতাকে মেনে নিয়ে মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দিকে মনোনিবেশ করেন।
৩. 'মিসাইল ম্যান' হওয়ার পথ:
তিনি ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO) এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থায় (DRDO) দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। অগ্ন্যাশয় মিসাইল তৈরি থেকে শুরু করে পোখরান পারমাণবিক পরীক্ষার মতো জটিল কাজগুলো তার নেতৃত্বেই সফল হয়েছে। এই অসাধারণ অবদানের জন্যই তিনি পরিচিত হন 'মিসাইল ম্যান অব ইন্ডিয়া' হিসেবে।
৪. ভারতের রাষ্ট্রপতি ও শিক্ষক:
তিনি ২০০২ সালে ভারতের ১১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে রাষ্ট্রপতির চেয়ারের চেয়েও তিনি নিজেকে 'শিক্ষক' হিসেবে পরিচয় দিতে বেশি পছন্দ করতেন। তার জীবনের মূলমন্ত্র ছিল— "স্বপ্ন সেটা নয় যা তুমি ঘুমিয়ে দেখো, স্বপ্ন হলো সেটা যা তোমাকে ঘুমাতে দেয় না।"
এই গল্প থেকে শেখার বিষয়:
ব্যর্থতা মানেই শেষ নয়: আব্দুল কালাম পাইলট হতে পারেননি বলেই তিনি পরবর্তীতে মহাকাশ বিজ্ঞানী হতে পেরেছেন। জীবনের প্রতিটি বাধা আসলে বড় কোনো সাফল্যের সিঁড়ি।
পরিশ্রমের বিকল্প নেই: সংবাদপত্র বিলি করা থেকে রাষ্ট্রপতির সিংহাসন পর্যন্ত— প্রতিটি ধাপই ছিল তার একাগ্রতা ও পরিশ্রমের ফসল।
মাটির কাছাকাছি থাকা: সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছানোর পরও তিনি অত্যন্ত বিনয়ী ছিলেন, যা তাকে মানুষের হৃদয়ে অমর করে রেখেছে।
ড. কালামের জীবন আমাদের শেখায় যে, পরিস্থিতি যাই হোক, নিজের লক্ষ্যের প্রতি সৎ এবং কঠোর পরিশ্রমী হলে পৃথিবীর যেকোনো প্রতিকূলতাকে জয় করা সম্ভব।

২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাজেট আজ, সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, বিধানসভায় পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ...
22/06/2026

২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বাজেট আজ, সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, বিধানসভায় পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার গঠনের পর এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট।

বাজেট ২০২৬-২৭: মূল বিষয়সমূহ
চাকরি ও বেতন-ভাতা:
সরকারি চাকরি: সরকার এই বছরে রাজ্যজুড়ে ১ লক্ষ শূন্যপদ পূরণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যার মধ্যে ৩৩% আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে ৫০,০০০ শিক্ষক/শিক্ষাকর্মী এবং ২০,০০০ পুলিশ কর্মী নিয়োগ করা হবে।
ডিএ বৃদ্ধি: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য ২০ শতাংশ ডিএ (DA) বৃদ্ধি করা হয়েছে (যা মোট ডিএ-র পরিমাণ ৩৮ শতাংশে নিয়ে যাবে), যা ১ অক্টোবর, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। পেনশনভোগীরাও একইভাবে ডিয়ারনেস রিলিফ (DR) পাবেন।
সম্মাননা বৃদ্ধি: আশা কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সিভিক ভলান্টিয়ার, হোম গার্ড এবং গ্রিন পুলিশের মাসিক সম্মাননা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সামাজিক কল্যাণ:
অন্নপূর্ণা যোজনা: পূর্বের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের পরিবর্তে 'অন্নপূর্ণা যোজনা' চালু করা হয়েছে, যেখানে যোগ্য মহিলারা মাসিক ৩,০০০ টাকা করে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাবেন। এই প্রকল্পে ৩৬,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
বেকার যুবক-যুবতী: যোগ্য স্নাতক বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য মাসিক ৩,০০০ টাকা ভাতার ঘোষণা করা হয়েছে (ভরসা কর্মসাথী প্রকল্পের অধীনে)।
অন্যান্য: মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে বাস পরিষেবার সুবিধা দেওয়া হবে, যার জন্য ৫৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
পরিকাঠামো ও শিল্প:
শিল্পায়ন: শিল্প উৎসাহের জন্য ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। উন্নয়ন ও বিনিয়োগের জন্য জমি সহজলভ্য করতে 'আর্বান ল্যান্ড (সিলিং অ্যান্ড রেগুলেশন) অ্যাক্ট' পুনর্বিবেচনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
বিমান ও বন্দর: কলকাতা অঞ্চলের জন্য নতুন গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর (কল্যাণীর কাছে), উড়ান প্রকল্পের অধীনে পুরুলিয়া, বালুরঘাট ও মালদহে নতুন বিমানবন্দর এবং দাদনপাত্রবাড়ে একটি ইন্টিগ্রেটেড গভীর সমুদ্র বন্দরের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
শিক্ষা: আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর ও পশ্চিম বর্ধমানে চারটি নতুন মেডিকেল কলেজ তৈরি করা হবে। এছাড়া, শিলিগুড়িতে একটি আইটি পার্ক তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
আঞ্চলিক উন্নয়ন: বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন তহবিল ৭০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি টাকা করা হয়েছে।
কর ও অন্যান্য:
প্রফেশনাল ট্যাক্স: কর ছাড়ের সীমা বাড়ানো হয়েছে। চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে মাসিক বেতন সীমা ১০,০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা করা হয়েছে এবং ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে বার্ষিক টার্নওভারের সীমা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে।
মদের লাইসেন্স: কঠোর নিয়ম চালু করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল বা ধর্মীয় স্থানের ১ কিমি (কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এলাকায় ৫০০ মিটার) ব্যাসার্ধের মধ্যে নতুন কোনো মদের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।

#পশ্চিমবঙ্গবাজেট
#কর্মসংস্থান #উন্নয়ন #শিলিগুড়িআইটিপার্ক
#অন্নপূর্ণাযোজনা #মহিলাকল্যাণ
#পশ্চিমবঙ্গ #বাজেট২০২৬

21/06/2026

Celebrating my 1st year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

21/06/2026

ফালাকাটা ও জাটেশ্বর অঞ্চলের গ্রামগুলোতে দেশি মদের (চোলাই ও হাড়িয়া) অবৈধ কারবার সংক্রান্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি।
অপরিশোধিত ও অনিয়ন্ত্রিত উপায়ে চোলাই ও হাড়িয়া তৈরির ফলে যে বিষাক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত হতে পারে, তা নিয়মিত সেবনকারীদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
জাটেশ্বর ও ফালাকাটার সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নেশার হাত থেকে রক্ষা করতে অবিলম্বে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রশাসন, স্থানীয় নেতৃত্ব এবং সাধারণ নাগরিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টাই পারে এই এলাকাকে নেশামুক্ত করতে।










Address

Siliguri
734001

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kajli Briefing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category