24/04/2026
গতবছর এই সময়টা আমি দেশে ছিলাম…
কী এক অদ্ভুত ভালো লাগা ঘিরে রেখেছিল দিনগুলোকে—এমন এক অনুভূতি, যা ভাষায় পুরোটা প্রকাশ করা যাবে না, এখন যখন সব মনে করছি... মনে হচ্ছে সেই অনুভূতি টা যেন ছুঁয়ে যাচ্ছে মনকে 🥹
সকালে ঘুম ভাঙলেই আপনজনদের মুখ,
আম্মুর হাতের গরম নাস্তা,
মেয়ের খাবার নিয়ে কোনো চিন্তা নেই—কারণ সেটাও আম্মুই আগেই রেডি করে রাখতেন…
ছোট বোনের হাতের এক কাপ চা,
দিনটা যেন সেখান থেকেই সুন্দর হয়ে উঠত।
মাঝেমধ্যে সকালে মেয়ে ঘুমিয়ে থাকত,
আর আমরা তিন বোন চুপিচুপি বাসার সামনে দোকানে চলে যেতাম—দোকানের চা খেতে। দারুণ একটা মুহূর্ত ছিল আমাদের....এটাসেটা কেনাকাটা করে একটু পরে আবার ফিরে আসতাম বাসায়।
দুপুর মানেই আম্মুর হাতের মজার সব রান্না…
এত তৃপ্তি নিয়ে মায়ের হাতের খাবার খাওয়ার অনুভূতি—এটা আসলে ভাষায় বোঝানো অসম্ভব 🥹
আর আব্বু—
অফিস থেকে ফেরার পথে নানান রকমের খাবার, বিভিন্ন রকমের মিষ্টি নিয়ে আসতেন
আর আম্মুকে বলতেন, “মেয়েদের জিজ্ঞেস করে বলো, কী খাবে—আমি নিয়ে আসবো।”
ছোট বোন…
ওর হাতের স্পেশাল আলুর পরোটা, ভাত ভাজি, চা, কোল্ড কফি, লাচ্ছি—
সবকিছুই এখন ভীষণ মিস করি।
গরমের দিনে ওর বানানো কোল্ড কফি বা লাচ্ছি যেন সত্যিই অমৃত মনে হতো।
আব্বু-আম্মুর নাতনির সাথে কাটানো মায়াভরা সময়—
নিজের বাবা-মাকে নানা-নানি হিসেবে দেখাটা যেন নতুন করে ভালোবাসা আবিষ্কার করার মতো ছিল 🥰
লিখতে লিখতে কত বড় হয়ে গেল…
তবুও মনে হয়, কত কিছুই তো বলা বাকি রয়ে গেল।
ভালো লাগার অনুভূতিগুলো হয়তো ঠিক এমনই—
পুরোটা গুছিয়ে লেখা যায় না…
শুধু অনুভব করা যায় মন ভরে❤️