19/11/2025
যেসব মেয়েরা লুকিয়ে প্রেম করে, এরপর বাপ-মা ধরতে পেরে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে না দিয়ে অন্য কারো কাছে বিয়ে দিয়ে দেয়
- এইসব মেয়েরা মনে করে তাদের সাথে জুলুম করা হয়েছে। তারা তাদের প্রেমিকের সাথে থাকলে ভালো থাকতো বেশী। এবং স্বামীর সংসারে তারা খুশি থাকতে পারে না।
অনেকে হয়ত অনেকদিন থেকে অথবা রিয়েলিটি চিন্তা করে মানিয়ে নেয়। কিন্তু বর্তমান যুগে বিয়ের পরও লুকিয়ে আগের প্রেমিক কিংবা জাস্ট ফ্রেন্ডদের সাথে যোগাযোগ রাখা সহজ হয়ে গিয়েছে।
এটার আসলে সমাধান কি? বাপ-মায়েরা তো চাইবে তাদের মেয়ে যেমন তেমনই হোক, সে যেন বেটার কাউকে পায়। কিন্তু এদেরকে সম্ভবত ছেড়েই দেয়া উচিত।
এদেরকে বলা উচিত তোমরা তোমাদের প্রেমিকদের বিয়ে করো। টিকলে তো টিকলোই। নতুবা বাঁশ খাওয়ার পরে রিয়েলাইজেশন আসলে বরং বেটার। এই দৃষ্টিকোণ থেকে যে, এদের জোর করে আরেকজনের সাথে বিয়ে দিলে সেই ওই পরিবারটাকেও বিপদে ফেলবে।
এখানে দোষ অভিভাবকদের যে, তারা তাদের মেয়েকে এমনভাবে রাখতে পারে নাই যে সে প্রেম থেকে বিরত থাকবে। হয়ত তার বয়স হয়েছে, তাকে গায়ির মাহারামদের সাথে যোগাযোগের সুযোগ রেখেছে, সেটা হোক ফোনের মাধ্যমে আর স্বশরীরে।
নুমান আলী খানকে আমি পছন্দ করি, তার একটা কথা খুব বাস্তব সম্মত। তিনি বলেছিলেন যে, আপনি আপনার মেয়েকে এতগুলো ছেলের মাঝে পড়তে পাঠাবেন, অথচ আপনার মেয়ে কোন ছেলেকে পছন্দ করবে না, কোন ছেলেও আপনার মেয়েকে পছন্দ করবে না - এরকম চিন্তাভাবনা রাখা হাস্যকর।
যেখানে বিবাহিত মানুষরাও ফ্রি-মিক্সিং এর কারণে পরকিয়ায় জড়াচ্ছে, সেখানে যাদের বিয়ে হয় নাই, তারা ফ্রি-মিক্সিং করবে আর তাদের মধ্যে কিছুই হবে না এরকম চিন্তাভাবনা আসলে পিতা-মাতার সরলতা না। এটা তাদের নির্বুদ্ধিতা। এটাকে সরলতা বললে, এই সরলতাও একটা ক্রাইম।
এক পুলিশ অফিসারের কাহিনী শুনসি, সে কনস্টেবলদের দিয়ে তার মেয়েকে স্কুলে আনা নেয়া করায়। কনস্টেবল একদিন চান্সে কাজ সেরে ফেলেছে। এরপর একটা সময় যখন মেয়ের শরীরের পরিবর্তন দেখলো, তখন বুঝা গেলো কিছু ঘটেছে।
পড়াশুনার জন্য বাপ-মা প্রাইভেটে পাঠায় স্যারের কাছে। আবার স্যারদের ঘরে এনে দরজা আটকিয়ে টিউশন দিতে দেয়। ইয়ে ক্যেয়া মাজাক হ্যেয়!
আর ভার্সিটিতে পড়ার নামে তো মাহারাম ছাড়া দিনের পর দিন মেয়েরা হোস্টেলে, ম্যাসে পড়ে থাকে। এখন তো আবার বড় ফেতনা ছেলে-মেয়ে জয়েন্ট ট্যুর। এসব কাহিনী ইনডিটেইলস বর্ণনা করা লাগে না। ঘিলু থাকলেই বুঝা যায়।
আমি মনে করি বাপ-মাদেরও ধরে ধরে বুঝাতে হবে না। তারা কি রাস্তাঘাটে কিছু দেখে না। দেখে! কিন্তু তারা মনে করে তাদের সন্তানটা ভিজা বিলাই। সে তাদের মান-সম্মান নষ্ট করে কিছু করবে না।
অথচ এদিকে কেউ হিন্দুরদের সাথে পর্যন্ত খাট কাপায় কেউ আর কেউ তে নিজেই হিন্দুই হয়ে যায়। মরার পর বাপ-মার হুশ হয়!
মেয়েরা খুব ভলনারেবল। ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ম্যানুপুলেট করা সহজ। এসব সমাধানে অনেকে অনেক সলিউশন দেয়। কিন্তু আমাদের মূল সলিউশনটার দিকে নযর দিতে হবে। কারণ এগুলা মূল রোগ না। এগুলো মূল রোগের সিম্পটোম। মূল রোগ হল তাওহীদ, মূল রোগ হল হালাল-হারামের তোয়াক্কা না করা।
মসজিদগুলোতে কঠোর ভাবো দাইয়্যুসের বিষয়ে আলোচনা করেত হবে। পর্দা, মাহরাম ছাড়া সফর, দূরে অবস্থান, ফ্রি-মিক্সিং নিয়ে ব্যাপাক আলোচনা করতে হবে।
আগের চেয়ে বেড়েছে সত্য। কিন্তু তবুও পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাচ্ছে না। এসবের জন্য ইমাম সাহেবদের চাকরীও যাচ্ছে।
ছেলে-মেয়েরা বাপ-মায়ের কথাও ঠিকমত শুনছে না। শুনবে কেনো? তাদেরকে তো বাপ-মা'ই শয়তানের হাতে আগেই দিয়ে রেখেছে। শয়তান যেভাবে হিপনোটাইজ করেছে, তারা সেভাবে হিপনোটাইজ হয়েই আছে।