Tanzila Imran UK

Tanzila Imran UK Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tanzila Imran UK, Kosti.

১. দুধ খাওয়ানোর সময় দুরুদ শরীফ/কালিমা/সূরা ফাতিহা পাঠ নিয়্যত: “এই আমলের সওয়াব যেন আমার সন্তানের হিফাযত ও ঈমানের জন্য হয়।...
23/03/2026

১. দুধ খাওয়ানোর সময় দুরুদ শরীফ/কালিমা/সূরা ফাতিহা পাঠ
নিয়্যত: “এই আমলের সওয়াব যেন আমার সন্তানের হিফাযত ও ঈমানের জন্য হয়।”
প্রতি ফিডিং-এ অন্তত একবার ছোট দুরুদ (যেমন: “আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ”)।
--------
২. ঘুম পাড়ানোর সময় যিকর অথবা দু’আর শব্দে ঘুম পাড়ানো।
নিয়্যত: “আল্লাহ এই যিকরের শব্দ যেন তার অন্তরে গেঁথে দেন।”
--------
☞ পড়ে শোনাতে পারেন—
আয়াতুল কুরসী, সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস এবং “হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল” (মুষ্টিতে ফুঁ দিয়ে শরীরে হাত বুলিয়ে দেওয়া)।
--------
☞ কীভাবে: ফুঁ দিয়ে হাত বুলিয়ে দেওয়া, কিংবা শুধু তার মাথার কাছে পড়ে দোয়া করা।
নিয়্যত: হিফাযতের আমল, রুহানিয়াত তৈরি করা। ঘুমানোর আগে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলানো বা পড়া। খুব নরম গলায় বলুন। ধীরে ধীরে সে এটায় অভ্যস্ত হবে ইনশা আল্লাহ।
--------
৩. কানে কুরআনের শব্দ।
কীভাবে: ঘুমানোর সময়, খেলতে খেলতে, কিংবা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মৃদু ভলিউমে কুরআন চালান।
লক্ষ্য: শব্দ পরিচিতি, অন্তরে নরম ভাব তৈরি, শুনে অভ্যস্ততা গড়ে তোলা।
--------
৪. গোসল করানোর সময় সূরা পড়া বা দোয়া করা।
“আল্লাহ, আমার মেয়েকে পবিত্র রাখুন, বাহ্যিক-অন্তর সব দিক থেকেই।” সুরা ফাতিহা এবং সুরা ইখলাস পড়া যেতে পারে।
--------
৫. সন্তানের মাথায় হাত রেখে দু'আ করা।
“আল্লাহ, একে হিফাযত করুন, একে হিদায়াহ দিন, একে সৎ বান্দা/বান্দি করুন, নেককারদের অন্তর্ভুক্ত করুন, তাওবাহ কবুলকারীদের অন্তর্ভুক্ত করুন।”
--------
৬. নিয়মিত দুরুদ পড়া ও হাদিয়া হিসেবে সন্তানের নামে সওয়াব দান করা।
দিনে ১০০ বার ছোট দুরুদ। (যেমন: “সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম”) — “ইয়া আল্লাহ, এই দুরুদের সওয়াব আমার সন্তানকে জান্নাতে পৌঁছানোর রাস্তায় সহায়ক হোক।”
--------
৭. মা-বাবা নামাজের পর সন্তানকে নিয়ে মুনাজাত করা। নিজের মনের ভাষায় আন্তরিকতার সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করুন। একদিন সে নিজে নিজেই সেই জায়গায় এসে বসবে ইনশা আল্লাহ।
--------
☞ কীভাবে: আপনি যখন নামাজে থাকেন, তাকে পাশে শুইয়ে রাখা বা সিজদার সময় পাশে বসানো।
লক্ষ্য: নামাজের পরিবেশ ও দৃশ্য ছোট থেকেই চেনা হয়ে যাওয়া।
--------
৮. বাচ্চার ঘরের পরিবেশে কুরআনের শব্দ রাখা।
দিনে কিছু সময় খালি ঘরেও কুরআনের তিলাওয়াত চালানো, যাতে শব্দে বেড়ে ওঠে।
--------
৯. বাচ্চার পক্ষ থেকে প্রতিদিন/সুযোগমতো ছোট ছোট দান, সাদাক্বাহ করা। ৫-১০ টাকা হলেও! এতে করে বাচ্চারা নিজে দান করা শিখবে, সৎকর্ম ও ভালো কাজে উৎসাহিত হবে। প্রতিদিন নিয়মিত দান করলে আল্লাহতায়ালা ৭০টি বিপদ-আপদ ও বালা-মুসিবত থেকে বান্দাকে রক্ষা করেন।

“আল্লাহ, এই সাদাক্বাহ যেন ওর বিপদ-আপদ, বালা-মুসিবত দূর করার কারণ হয়।” সেজন্য অনলাইন সাদাকাহ অপশন, মসজিদ বা এতিমখানার দানবাক্স ব্যবহার করা যেতে পারে।
--------
১০. মা-বাবার মুখ দিয়ে সুন্দর শব্দ বের করা।
যেমন: “আল্লাহ তোমায় হিফাযত করুন”, “আমিন বলো”, “জান্নাতে যাবা ইনশা আল্লাহ” — এগুলো শিশুর মুখে প্রতিফলিত হবে।
--------
১১. “জান্নাত” শব্দ পরিচিতি।
কীভাবে: তাকে আদর করে বলুন, “তুমি আমার জান্নাতের ফুল”, “আল্লাহ আমাদের জান্নাতে একসাথে রাখুন ইনশা আল্লাহ।”
লক্ষ্য: জান্নাত শব্দ যেন তার হৃদয়ে মিষ্টি কিছু হিসেবে গেঁথে যায়।
--------
১২. দিনে অন্তত ১বার আকাশের দিকে তাকিয়ে বলানো “আল্লাহ উপর-নিচে সর্বত্র আছেন।”
কীভাবে: তাকে কোলে নিয়ে আকাশ দেখিয়ে বলুন, “আল্লাহ উপর-নীচে সর্বত্র আছেন” - শিশু একে অনুভব করে নেয়।
নিয়্যত: আল্লাহ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া।
--------
১৩. ঘর থেকে বের হওয়ার আগে “বিসমিল্লাহ” বলা।
শিশু ঘর থেকে বের হওয়ার সময় মুখে বলুন: “বিসমিল্লাহ, তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ।” কিছু না বললেও ধীরে ধীরে সে অভ্যস্ত হবে।
--------
১৪. ‘শুকরিয়া’ করার অভ্যাস তৈরি করুন।
কীভাবে: কিছু দিলে বলুন, “আলহামদুলিল্লাহ বলো।” প্রথমে না বললেও, এই শব্দের প্রতি এক প্রাকৃতিক টান তৈরি হবে।
--------
১৫. আয়নায় তাকিয়ে বলা - “আল্লাহ তোমাকে কত সুন্দর করে বানিয়েছেন।” এতে করে শিশু তার আত্মসম্মান এবং আল্লাহর নেয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞতা শেখে।
--------
১৬. পশু-পাখি দেখিয়ে আল্লাহর সৃষ্টি চিনানো।
“এই বিড়ালটা কে বানিয়েছে?” — “আল্লাহ”
এভাবে প্রকৃতি দিয়ে ‘খালিক’ পরিচয় দেওয়া।
--------
১৭. তার হয়ে “ঈমানী দু'আ” করা (প্রতিদিন অন্তত ১ বার করে হলেও)
“হে আল্লাহ, আমার সন্তানকে সিদ্দিক, আমানতদার ও নামাজি বানিয়ে দাও।” “ওকে ইসলাম, কোরআন ও সুন্নাহর সত্যিকার অনুসারী বানিয়ে দাও! কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে সব সময় চলার তৌফিক দান করো।" (আপনার নিয়্যত ও দু'আর মাধ্যমে আমল হয়ে যাবে ইনশা আল্লাহ।)
--------
১৮. খারাপ কিছু দেখলে বা বাজে শব্দে “আস্তাগফিরুল্লাহ” বলা। সে বুঝবে, খারাপ কিছু মানেই- আল্লাহকে মনে করে সংশোধন হওয়া দরকার।
--------
১৯. ঈদ/রামাদান/জুমআর দিনকে স্পেশাল বানানো।
ছোট ছোট আনন্দ, মিষ্টি, নতুন জামা দিয়ে বলুন: “আজ আল্লাহর পছন্দের দিন! ইসলামিক কনসেপ্ট/ চিন্তা-চেতনা = আনন্দের মাধ্যমেও শেখানো যায়।
--------
২০. “বাবা-মার জন্য দু'আ করো” শেখানো।
ছোট্ট দোয়া: “রব্বির হামহুমা কামা রব্বায়ানি ছগীরা।” প্রথমে শুধু “হে আল্লাহ আমার মা-বাবাকে সুস্থ রাখো ভালো রাখো” বলাই যথেষ্ট। এভাবে আস্তে আস্তে অন্যদের জন্যেও দু'আ করতে শেখানো।
--------

২১. নামাজের সিজদায় গিয়ে তার নাম নিয়ে দু'আ করা।
কীভাবে: নামাজে সিজদায় গিয়ে বলুন,
“ইয়া আল্লাহ, আমার সন্তানদেরকে আপনার পছন্দের বান্দা/বান্দি বানিয়ে দিন। তাদেরকে কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে সব সময় চলার তৌফিক দান করুন।" শিশুরা কিছু না বুঝলেও আপনার নিয়্যতে সেটা আমল হয়ে যাবে।
--------
২২. Islamic lullaby / Nashed শোনানো (বিনা বাদ্যযন্ত্রে)।
উদাহরণ: “Tala’al Badru”
“Give thanks to Allah”
কিংবা শুধু মা'য়ের মুখে গাওয়া “আল্লাহু, আল্লাহু...” ধরণের ধ্বনি। কিংবা আপনার প্রিয় কোনো হামদ-নাত'ও শোনাতে পারেন। এতে করে শিশু শান্ত হয়, একইসাথে রূহানি পরিচিতি পায়।
--------
২৩. কুরআনের আয়াত দিয়ে Nickname তৈরি করে ডাকা।
যেমন: “ইয়া নূর” (আলোর মতো), “হুরাইন”, “সিদ্দিকাহ”। এতে বাচ্চার পরিচয়ের সাথেই ঈমানি শব্দ জড়ানো হয়।
--------
২৪. হাত ধরে ছোট ছোট দু'আ-যিকির শেখানো (মুখে মুখে)
“বিসমিল্লাহ” "সুবহানাল্লাহ" “আলহামদুলিল্লাহ” “আসসালামু আলাইকুম”— এভাবে এক-দুইটি করে শব্দ এক সপ্তাহে শিখানো।
--------
২৫. কুরআন স্পর্শ করানোর সময় “এটা আল্লাহর কিতাব/বই” বলা। ছোট্ট হাতে কুরআন ধরিয়ে, তাকে আলতোভাবে বলুন, “এই কিতাবে আল্লাহর কথা/বাণী সমূহ লিপিবদ্ধ আছে, তাই এইটা খুব সম্মানের জিনিস।” সে এখন তেমন কিছু না বুঝলেও তাহার অন্তরে এর ছাপ পড়ে।
--------
২৬. Islamic Mirror প্লে :
আয়নায় তাকিয়ে বলুন - “আল্লাহ তোমাকে কতো সুন্দর করে বানিয়েছেন। শোকর আলহামদুলিল্লাহ, তুমি আল্লাহর বান্দা/বান্দি!” এতে করে শিশুর আত্মপরিচয়ের ভিত্তি গড়ে উঠে।
--------
২৭. Adhan ও Iqamah শোনানো / বলার অভ্যাস।
মাঝে মাঝে তার কানে আজান বলুন, এমনকি খেলার ছলেই। আজান মানেই আল্লাহর ডাক- আস্তে আস্তে এটা তার মনে গেঁথে যাবে।
--------
২৮. “সালাম” বলা ও শিখানো:
পুতুল ধরে বলুন- “আসসালামু আলাইকুম বলো ওকে।” প্রথমে খেলার ছলেই হোক, ধীরে ধীরে ভালো কিছু অভ্যাস তৈরি হবে ইনশা আল্লাহ।
--------
২৯. সূর্য / চাঁদ / তারাকে দেখিয়ে আল্লাহর নামে প্রশংসা করা।
“আল্লাহ এই চাঁদ বানাইছে, দেখো কী সুন্দর!” Creation দিয়ে Creator চিনানো — এইভাবেই ধীরে ধীরে একটি শিশুর ঈমান গড়ে ওঠে।
--------
৩০. শিশুর হাঁচি/হাই দিলে "আলহামদুলিল্লাহ" বলা।
নিজে বলুন, কিংবা তার পক্ষে বলুন: “আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তোমায় হাঁচি দিয়ে বিশ্রাম দিলেন।”
--------
৩১. খাওয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ বলানো।
আপনি খাওয়ানোর পর নিজের মুখে বলুন: “আলহামদুলিল্লাহ”। ধীরে ধীরে সে আপনাকে অনুসরণ করতে শিখবে।
--------
৩২. দু'আ দিয়ে কাঁদা বা কান্না থামানো।
শিশুর কান্না হলে বলুন- “হে আল্লাহ, আমার শিশুকে তুমি শান্তি দাও, আরাম দাও! মা তোমার জন্য দোয়া করছে।” আপনি শান্ত থাকবেন, আমলের নিয়্যতে দোয়া করবেন।
--------
৩৩. ইসলামিক গল্প বলার রুটিন।
প্রতিদিন ৫–১০ মিনিট: “এক ছিলেন ইউনুস (আ.), তিনি একদিন জাহাজে উঠলেন...।” ইসলামিক গল্প সংক্ষিপ্ত হলেও ধারাবাহিকতা শিশুর মনে ঈমানের বীজ বোনে।
---------
৩৪. Islamic Counting / Color Game:
রঙ/গণনার সাথে ইসলাম যুক্ত করা-
“১ আল্লাহ, ২ রাকাআত, ৩ সাহাবী”
“সবুজ রঙ – জান্নাতের রঙ” ইত্যাদি।
--------
৩৫. ছোট ছোট দু'আর কার্ড বানিয়ে দেয়ালে লাগানো
যেমন: “ঘুমের আগে: বিইসমিকা আল্লাহুম্মা আমুতু ওয়া আহইয়া” “খাওয়ার আগে: বিসমিল্লাহি আলা বারাকাতিল্লাহ”। আপনারা নিজেরাও শিখবেন, আপনাদেরকে দেখে শিশুটিও ধীরে ধীরে শিখতে থাকবে।
--------
৩৬. দিনে একবার বলে দেওয়া: “আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসেন।” এতে করে শিশুর আত্মা আল্লাহর ভালোবাসার দিকে ধাবিত হয়।
--------
৩৭. অন্যের জন্য দোয়া করতে শেখানো।
যেমন: “আমার নানা-নানু, দাদা-দাদি যেন সুস্থ থাকে, ভালো থাকে! বলো আমিন!" এতে তার হৃদয় নরম হবে, আর নিয়মিত দোয়া’র অভ্যাস গড়ে উঠবে।
--------
৩৮. সূর্য ডোবার সময় ‘মাগরিব’ নামাজের কথা স্মরণ করানো। “সূর্য ডুবে যাচ্ছে, এখন আল্লাহ ডাকেন নামাজের জন্য।” এতে করে সময় জ্ঞান/নামাজের পরিচিতি জন্মাবে।
--------
৩৯. Islamic Affirmation Game:
বলুন, “তুমি কে?” সে উত্তর শিখুক: “আমি আল্লাহর বান্দা/বান্দি।” ছোট হলেও তার আত্মপরিচয় গড়বে।
--------
৪০. Islamic Tone with Hugs.
তাকে জড়িয়ে ধরে বলুন: “আল্লাহ তোমার উপর রহম করুন! তুমি জান্নাতে যাবে ইনশা আল্লাহ।” সন্তানের প্রতি আপনার আন্তরিক ভালোবাসার সাথে ঈমানি বাণী— তার হৃদয়ে চিরস্থায়ী ছাপ ফেলবে ইনশাআল্লাহ।
--------
৪১. প্রতিদিন একটি ‘নতুন শব্দ’ শেখানো (ইসলামিক শব্দভাণ্ডার)
যেমন: আজ: “সালাত- নামাজ”, কাল: “সবর- অপেক্ষা”, পরশু: “কুরআন- আল্লাহর বাণী”। শিশুদের মস্তিষ্ক শব্দ ধরে রাখে, এই শব্দগুলো তার অন্তরে গেঁথে যাবে।
--------
৪২. বৃষ্টি নামলে কানে কানে বলুন: “এখন দোয়ার সময়”
বলুন: “চলো দোয়া করি, এখন আসমান খুলে গেছে। আল্লাহ এখন আমাদের সবকথা শুনছেন।” বলুন- “হে আল্লাহ, আমার সন্তানদেরকে সুস্থ রাখুন, ভালো রাখুন। হে আল্লাহ, তাদেরকে জ্ঞানী, গুণী, কর্মঠ, শুদ্ধাচারী, আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলুন! আমিন!”
--------
৪৩. গায়ের কাপড় পরাতে গিয়ে বলুন:
“আল্লাহ তোমাকে কত সুন্দর কাপড় দিয়েছেন বল- শোকর আলহামদুলিল্লাহ।" এতে করে আল্লাহর দেয়া নেয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞতা শেখানো হবে।
--------
৪৪. তার খেলনাগুলোকে Islamic নাম দেওয়া
যেমন: পুতুলের নাম “মারিয়াম”, “আসিয়া”, “ইব্রাহীম”, “উমর”। এই ছোট্ট শিশুটি খেলতে খেলতে সে ইসলামি ইতিহাসের সাথে পরিচিত হবে।
--------
৪৫. ঘুমের আগে ছোট্ট তালিম
মাত্র ৫ মিনিটের কথা:
“আজ আমরা কি শিখলাম?”
“আল্লাহকে ভালোবাসলে কী হয়?”
এতে করে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা বাড়বে।
--------
৪৬. কুরআনের শব্দ/আয়াত মুখস্থ করাতে ছন্দ নাহয় তাল দিয়ে বলা
“কুল হুয়াল্লাহু আহাদ...” ধীরে ধীরে সুরে বলুন, — শিশু সুর ধরতে পারে ও পছন্দ করে।
--------
৪৭. Islamic Visual Toy/Card বানিয়ে খেলা।
উল্টে উল্টে বলুন:
“এইটা কা'বা”
“এইটা জান্নাতের দরজা”
“এইটা কুরআন”
খেলনার মাঝেও ইসলাম শেখা হবে।
--------
৪৮. তার হয়ে Charity করা (সে দেখুক)
কেউ দরজায় এলে বলুন:
“এইটা তোমার তরফ থেকে দিচ্ছি।”
সে নিয়মিত দান করা শিখবে।
--------
৪৯. কখনও কান্না থামলে বলুন: “আল্লাহ তোমাকে শান্ত করেছেন।” সে বুঝবে, শান্তি একমাত্র আল্লাহর কাছ থেকেই আসে।
--------
৫০. পছন্দের কাজের পর “আলহামদুলিল্লাহ” দিয়ে রিক্যাপ করা।
যেমন: খাওয়ার পর, খেলার পর, ঘুমের পর বলুন- “আলহামদুলিল্লাহ! আজ কত ভালো দিন কাটালাম, তাই না?”
--------
৫১. আয়নার সামনে দাড় করিয়ে বলুন: “তুমি আল্লাহর সৃষ্টি, কত সুন্দর!”
নিজের সম্পর্কে পজিটিভ ভাবনার ভিত্তি তৈরি হয় — এটা ইসলামিক আত্মপরিচয় গঠনের প্রথম ধাপ।
--------
৫২. চুপ থাকা/ মৌন থাকা শেখানোর সময় “সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ‌ এবং আল্লাহু আকবার” বলতে শেখানো।
তার সাথে খেলতে খেলতে বলুন, “চুপচাপ মৌন থেকে বলি: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার”। সে বুঝবে চুপচাপ বা মৌন থাকা মানেই তখন আল্লাহর যিকর করতে হবে!
--------
৫৩. Islamic Object-based Hide & Seek:
খেলনা পুতুল বা বাংলা কুরআনের আয়াত লুকিয়ে বলুন, “আল্লাহর কথা/আল্লাহর বাণী কোথায় লুকিয়ে আছে? খুঁজে বের করো!” এভাবে খেলনার মাধ্যমেও ইসলাম শেখানো যায়।
--------
৫৪. Islamic “Yes-No” Game:
আপনি জিজ্ঞেস করুন:
“আমরা নামাজ পড়ি?”→ সে বলবে হ্যাঁ।
“আমরা মিথ্যা বলি?” → না।
এমন ছোট ছোট প্রশ্নে বড় শিক্ষা!
--------
৫৫. তার নাম দিয়ে ছোট্ট দোয়া বানিয়ে বারবার বলা
“ইয়া রাহমান, ইয়া রাহিম, আমার সন্তানের ....... উপর রহম কর। তাকে সুস্থ রাখো, ভালো রাখো। তাকে সঠিক পথে পরিচালনা করো।”
--------
৫৬. Islamic Weather Talk.
যেমন: বৃষ্টি = আল্লাহর রহমত
রোদ = আল্লাহর নূর
ঝড় = আল্লাহর কুদরত
এভাবে প্রকৃতি দিয়ে তাওহীদ শেখানো।
--------
৫৭. তার বডি পার্ট শেখানোর সময় আল্লাহর সৃষ্টির কথা বলা।
“এই চোখ, নাক, মুখ? আল্লাহ দিয়েছেন।”
“এই শরীর, হাত, পা? আল্লাহ বানিয়েছেন।”
সে বুঝবে, সব কিছু আল্লাহর দেয়া আমানত।
--------
৫৮. ইসলামিক Shape & Color Matching Game.
সবুজ রং = জান্নাত
কালো রং = কা’বা
সাদা রং = তাহারাত
রঙ আর আকৃতির মাধ্যমে বিশ্বাস শেখানো।

৫৯. ঘরের দেয়ালে Islamic Alphabet চার্ট লাগানো।
A – Allah
B – Bismillah
C – Caliph
ছোট থেকেই শব্দগুলোর সাথে পরিচয় করানো।
---------
৬০. ঝিমুতে থাকা অবস্থায় মুখে মুখে ধীরে ধীরে বলুন:
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ...”
ঘুমের সাথে যিকরের সম্পর্ক তৈরি হয়, ইন শা আল্লাহ।

৬১. “হাত তুলে দোয়া করি” খেলা
দুজন হাত তোলে বলুন:
“আল্লাহ, আকিফাহ যেন জান্নাতে যায়, আমিন!”
শিশুরা হাত তোলা শেখে আর দোয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে।

৬২. Islamic clean-up song.
খেলনা গুছানোর সময় বলুন:
“নবীজী (সা.) ছিলেন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন!”
“চল সব গুছিয়ে দেই, আল্লাহ খুশি হন।”

৬৩. ঘুম ভাঙার পর কানে বলুন:
“আলহামদুলিল্লাহিল্লাযি আহইয়ানা…”
ধীরে ধীরে শিশুর মুখেও বসে যাবে।

৬৪. Islamic lullaby.
ঘুমপাড়ানি গানে দিন ঈমানি কথা:
“আল্লাহ তোমায় ভালোবাসে, মা করে দোয়া, জান্নাত হবে তোমার ঘর, যদি করো সওয়াব...”

৬৫. পাখি/গাছ/ফুল দেখিয়ে বলুন: “আল্লাহ বানিয়েছেন”
সৃষ্টির প্রতি বিস্ময় থেকে সৃষ্টি কর্তার প্রতি ভালোবাসা।

৬৬. যেকোনো ভালো কাজ করে বলুন: “এইটা আমলনামায় চলে গেলো”
শিশুরা ‘আমলনামা’ শব্দ শুনতে শুনতে আগ্রহী হবে।

৬৭. মুভমেন্ট আর যিকরের সমন্বয়।
যেমন: লাফ দিতে দিতে বলুন:
“আল্লাহু আকবার!”
শরীর আর মুখ দুইটাতেই যিকরের অভ্যাস।

৬৮. যখন গায়ে কিছু লাগে বা ব্যথা পায়, বলুন: “আল্লাহ তোমায় শিফা দেবেন”
অসুস্থতা = আল্লাহর কুদরত ও রহমত শেখা হয়।

৬৯. Islamic reward stickers
ভালো কাজ করলে একটা স্টিকার:
“আজ তুমি বলেছো আলহামদুলিল্লাহ”
“তুমি মায়ের কথা শুনেছো”
Reward-এর মাধ্যমে ঈমানি অভ্যাস গড়ে ওঠে।

৭০. কুরআন তিলাওয়াত চালিয়ে ঘর গোছানো:
ঘর গোছানোর সময় সুরা চালিয়ে রাখুন — শিশু শুনতে শুনতে আয়াত ধরবে ইন শা আল্লাহ।
--------
৭১. “আল্লাহর নাম ধরে ডাকো” খেলা :
জিজ্ঞেস করুন: “তোমার খাওয়া কে দেয়?”
→ সে উত্তর দেবে: “আল্লাহ!”
“তুমি কাকে বেশি ভালোবাসো?” →“আল্লাহকে!”
খেলতে খেলতে তাওহীদ গেঁথে যাবে।
--------
৭২. Islamic High-five Game
কিছু ভালো কাজ হলে বলুন:
“High five for saying Bismillah!”
খেলায় খেলায় ইসলাম শেখা।
--------
৭৩. শব্দ শেখানোতে ইসলামিক উদাহরণ
যেমন: “মা” শেখানোর সময় বলুন:
“নিজের মাকে নবীজী কত ভালোবাসতেন!”
মা শেখা + আদব শেখা একসাথে।
--------
৭৪. জুতা পরাতে গিয়ে বলুন:
“ডান পা আগে, নবীজি আগে ডান পা দিতেন।”
সুন্নাহ ছোট থেকেই অনুশীলন হবে।
--------
৭৫. জান্নাত-ভিত্তিক পুরস্কার দেওয়া বলুন:
“তুমি জান্নাতি কাজ করেছো!” আর একটা স্টিকার বা ছোট পুরস্কার দিন।
--------
৭৬. পানি খাওয়ানোর সময় বলুন:
“৩ বার করে খাই।” এক নিঃশ্বাসে না খেয়ে তিনবারে খাওয়ার সুন্নাহ শেখান।
--------
৭৭. Islamic Shadow Play
টর্চের আলোতে বলুন:
“আলো কার?” → “আল্লাহর”
“ছায়া কার?” → “আল্লাহর সৃষ্টি”
মজা করেই তাওহীদ বোঝান।
--------
৭৮. একসাথে তাসবীহ গোনা -
তসবীহ হাতে দিয়ে বলুন: “সুবহানাল্লাহ বলো, আমরা ৩টা বলবো!” গোনার মাধ্যমে সংখ্যা শেখা + যিকর।
--------
৭৯. ‘সোনা মেয়ে’, ‘জান্নাতি বাচ্চা’ — ঈমানি টাইটেল ব্যবহার
প্রশংসার সময় বলুন:
“আল্লাহর প্রিয় বান্দি!”
“জান্নাতের ফুল তুমি!”
--------
৮০. শিখতে না পারলেও প্রশংসা দিয়ে উৎসাহ দিন
“তুমি চেষ্টা করেছো, আল্লাহ খুব খুশি হবেন।”
শুধু অর্জন না, নিয়্যত ও চেষ্টার মূল্য শেখা।
--------
৮১. প্রতিদিন একবার বলুন: “আল্লাহ তোমাকে দেখছেন” (দয়া ও দৃষ্টি বোঝাতে)
ভয় নয়, ভালোবাসা দিয়ে এই বাক্য বলুন।
শিশুর হৃদয়ে গেঁথে যাবে: “আমার রব আছেন, তিনি দেখেন”।
--------
৮২. ঘুমাতে যাওয়ার সময় মাথায় হাত রেখে দোয়া করুন
ধীরে ধীরে উচ্চস্বরে বলুন: “আল্লাহুম্মা নিই’জকা মিনাশ শাইতান...” ধীরে ধীরে একদিন আপনার দোয়ার আওয়াজ শিশুর ঘুমের এক অংশ হয়ে যাবে।
--------
৮৩. Islamic Animal Sounds Game
বলুন: “বকরি কী করে?” → “ম্যাআআ”
তারপর বলুন: “এই বকরি আল্লাহ বানিয়েছেন”
খেলার ফাঁকে সৃষ্টিকর্তার পরিচয়।
--------
৮৪. হাঁচি দিলে বলুন: “আলহামদুলিল্লাহ” — আর তাকে বলান “ইয়ারহামুকাল্লাহ"। হাঁচি দিয়েই ছোট্ট সুন্নাহ শেখা।
--------
৮৫. Islamic Matching Puzzle বানিয়ে দিন
কা’বা + হাজ্জ
কুরআন + তিলাওয়াত
জান্নাত + ভালো কাজ ।
Matching করতে করতে ইসলামি ধারণা মজবুত হয়।
--------
৮৬. একদিনের টার্গেট দিন:
“আজ সারাদিন আলহামদুলিল্লাহ বলবো”। সে হয়তো ভুলে যাবে, কিন্তু আপনি বলুন, “তুমি যা বলেছো, আল্লাহ সব শুনেছেন!”
--------
৮৭. Islamic Colors Day
আজ শুধু সবুজ জিনিস খুঁজবো (জান্নাত), কাল সাদা জিনিস (তাহারাত)। রঙ দিয়ে ঈমানি সংযোগ।
--------
৮৮. Islamic Rhymes with Actions
যেমন: “Raise your hands, say Bismillah,
Eat your food, and say Alhamdulillah!”
বাচ্চাদের প্রিয় রাইমসের জায়গায় ইসলাম বসিয়ে দিন।
--------
৮৯. হাঁটার সময় ‘মনের দোয়া’ করতে শেখান
আপনি বলুন:
“আল্লাহ, আমার মেয়ে যেন পড়ে না যায়"
সে শেখে, হাঁটাও আল্লাহর নিয়ন্ত্রণে।
--------
৯০. “আল্লাহ আমাদের কোথায় রেখেছেন?” খেলা: ঘরের ভেতরে জিজ্ঞেস করুন -
“আমরা কোথায়?”
“আল্লাহর দুনিয়ায়”
সে বুঝবে, এই জগৎ আল্লাহরই সৃষ্টি ও নিয়ন্ত্রণে।
--------
৯১. Islamic Mirror Play
আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে বলুন:
“আল্লাহ কত সুন্দর বানিয়েছেন তোমাকে!”
আত্মসম্মান + আল্লাহর শোকর দুটোই।
--------
৯২. হাঁটার সময় “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” ধীরে ধীরে বলুন
প্রতিটি পা ফেলতে ফেলতে বলুন — সে হোক কোলে বা মাটিতে।
--------
৯৩. দুধ খাওয়ার সময় বলুন:
“রাব্বি যিদনি ইলমা” যেন জ্ঞানের শুরু হয় সবচেয়ে নিরাপদ সময়ে — মায়ের কোলে।
--------
৯৪. Islamic flashcards বানান
ছবি দিয়ে দেখান: কা'বা, কুরআন, চাঁদ, নামাজ...
দৈনিক একটা করে দেখান — আল্লাহর নামও শেখাতে পারেন।
--------
৯৫. Islamic Animal Book
বইয়ে দেখিয়ে বলুন:
“উট? হজে যায়!”
“মক্কায় কি আছে? কা'বা!”
চেনা জগতে ইসলামকে বসানো।
--------
৯৬. Islamic pretend play
নামাজে দাঁড়ায়, সেজদা করে, খিলখিল হাসে —
আপনি বলুন: “আল্লাহ খুব খুশি!”
--------
৯৭. দাঁত ব্রাশ করার সময় বলুন: “পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ”
ব্রাশ করা = ঈমানের শিক্ষা।
--------
৯৮. Islamic sensory play
পানি, বালি, তুলা দিয়ে খেলায় বলুন:
“আল্লাহ পানির মাঝে জীবন রেখেছেন।”
“এই তুলার মত সফট বানাক আল্লাহ তোমার অন্তর।”
--------
৯৯. দোয়া শেখার সময় ‘আঙ্গুল দিয়ে গোনা’ খেলুন।

যেমন: আঙ্গুল -
১ → “বিসমিল্লাহ”
২ → “আলহামদুলিল্লাহ”
৩ → “ইয়া আল্লাহ, জান্নাত দাও”
কল্পনার সাথে দ্বীনের বুনন।
--------
১০০. ঘুমানোর আগে মাথায় হাত দিয়ে এই দোয়া করুন:

❑ “আল্লাহ, আমার এই Amanah (আকিফাহ) কে তুমি রক্ষা করো, হিদায়াহ দাও, জান্নাতের রাস্তায় চালাও — আমি তো শুধু চেষ্টা করছি, তাওফিক তোমারই।”

এই দোয়ার মধ্যেই লুকানো আছে আপনার মা হিসেবে সকল কষ্ট, চেষ্টা আর নিয়্যতের সারাংশ।

☞ মনে রাখবেন:
একটি আমলও “ছোটো” নয় — নিয়্যতই বড়। আপনার দুরুদ, চোখের পানি, বাচ্চার কপালে চুমু দিয়ে করা দু'আ — আল্লাহর কাছে অনেক মূল্যবান।

আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সন্তানদের কুরআনের হিফয, দ্বীননদারিতা এবং নবীজী (সঃ) এর প্রেমে বড় করার তাওফিক দিন। আমীন। 🤲~

_____ সংগৃহীত ।
--------------------- • ---------------------

30/06/2025
11/06/2025
11/06/2025
আপনাকে সিজারের সময় মেরুদণ্ডে যে ইনজেকশন দেওয়া হয় সেই ইনজেকশনটা কে পুশ করেছিল মহিলা ডাক্তার নাকি পুরুষ ডাক্তার? এই ইনজেকশ...
18/03/2025

আপনাকে সিজারের সময় মেরুদণ্ডে যে ইনজেকশন দেওয়া হয় সেই ইনজেকশনটা কে পুশ করেছিল মহিলা ডাক্তার নাকি পুরুষ ডাক্তার? এই ইনজেকশনটায় পরবর্তীতে কি কি ক্ষতি হয় জানেন??

বর্তমানে সিজারের শতভাগ কাজ কি মহিলা ডাক্তাররাই করেন? নাকি কিছু কাজে পুরুষ ডাক্তারের সাহায্য নিতে হয়? পৃথিবীতে কোনো প্রাণীর সিজার লাগে না, মানুষের কেন লাগে?

মানুষের সিজার লাগার কারণ হলো, শশুর ফোন দিয়ে বলবে আমার মেয়ের কিছু হলে জামাই তোমাকে ছাড়বো না, শাশুড়ি বলে আমার মেয়েকে হাসপাতালে ভর্তি করুন টাকা যা লাগে আমি দিবো। আর শালা শালি তো আছেই। তারপর ডাক্তারের কথা বললে তো ফেসবুক আইডি আজই নষ্ট হয়ে যাবে।

হাসপাতালে গর্ভবতীকে নেওয়ার পরে, ডাক্তার দেখামাত্র চেক-আপ করে... এই ৪ টি ডায়লগের যেকোনো একটি দিয়ে থাকেন।
১. বাচ্চা পানিশূন্যতায় আছে।
২. বাচ্চা পেটের ভিতরে পায়খানা করে দিয়েছে।
৩. বাচ্চার পজিশন উল্টা।
৪. বাচ্চার ওজন কম, বাচ্চার অবস্থা বেশি ভাল না।

এই কথাগুলোর যেকোনো একটা শোনার পর গর্ভবতীর এবং তার পরিবারের লোকের অবস্থা কি হতে পারে অনুমান করা কষ্টসাধ্য নয়। বাংলাদেশের সমস্ত প্রাইভেট হাসপাতালের গত ৫ বছরের ডেলিভারি রিপোর্ট দেখলে, দেখা যাবে প্রায় ৯০% সন্তান সিজারে ডেলিভারি করানো হয়েছে।

পক্ষান্তরে 100 মহিলা ডাক্তার এর মধ্যে একজন মহিলা ডাক্তারের সিজার ডেলিভারি হয়েছে এমন খুঁজে পাওয়া খুব কষ্টকর। আর সাধারণ মানুষ হসপিটালে যাওয়ামাত্রই সিজার সিজার সিজার...! সিজারে এতো টাকা বিল আসে কেন, যাচাই করার কোন উপায় কি আছে আমাদের দেশে। সিজারের সময় যে এক কার্টুন ঔষধ ও অন্যান্য জিনিস ও.টি.তে নেওয়া হয়, তা কি সব লাগে? বাকি ঔষধ কোথায় যায়?

# সিজার ডেলিভারির জন্য, আমাদের দেশের মায়েরা অর্ধপঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। এটাকে বন্ধ করুন। মা’কে বাঁচান, বাচ্চা কে বাঁচান। তবে আমি মনে করি, কিছু কিছু ডাক্তার ও হসপিটাল কতৃপক্ষ নিজেদের স্বার্থের জন্য সিজার করতে বলেন। কিন্তু সব ডাক্তার নয়।

¤ এখন সিজারের সংখ্যা কেন বেড়ে গেছে তার কারণ কি? আমার কাছে মনে হয়, ব্যাপারটার উৎপত্তি আমাদের জন্ম থেকে। আপনি আপনার দাদা-দাদী / নানা-নানীর দিকে তাকান। উনারা দেখবেন, বুড়ো বয়সেও কত শক্তিশালী। আমাদের দাদা নানারা দেখবেন, ৭০ বছর বয়সেও অনেক দূর হেঁটে হেঁটে মসজিদে নামাজ পরতে যাচ্ছে, চা খেতে যাচ্ছে। আমার দাদা ৮০+ বয়স হওয়ার পরেও চশমা ছাড়া পত্রিকা পরত। এবার আমাদের বাবা মায়ের দিকে তাকান। কিছু পরিবর্তন পাচ্ছেন? উনাদের কোমর ব্যাথা, হাটু ব্যাথা, হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া ধরনের অসুখ দেখতে পাচ্ছেন?
বর্তমান বাংলাদেশে বেশি সংখ্যক "মা” দের পেট কেটে সিজার করে বাচ্চা বের করা হচ্ছে, এতে অনেক "মা" মারা যাচ্ছে। অথচ আমাদের দাদী-নানিরা ১০/১২ টা করে বাচ্চা জন্ম দিয়েছে, আল্লাহর রহমতে তেমন সমস্যা হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ ...

হয়তো কেউ বলবেন "অল্প বয়সে বিয়ে হওয়ার কারণে বর্তমানে "সিজার" করতে হয়, আমি বলব আপনার ধারণা ভুল। তাই যদি হয় তাহলে তো আমাদের দাদি-নানিদের বিয়ে হয়েছে মাত্র ১২/১৩ বছর বয়সে, কই তাদের তো কিছু হয়নি…!! (দুঃখিত আমি তর্ক করতে চাচ্ছি না।)

¤ একটা সিজার মানে একটা মায়ের জীবনকে শেষ করে দেয়া!! সিজার মানে একটা মায়ের মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিবন্ধী হয়ে বেঁচে থাকা!

পার্থক্যটা খেয়াল করেন- যাদের নরমালে বেবি ডেলিভারি হয় তাদের নাড়ী ছেঁড়া ধন হয়- আর যাদের সিজার হয় তাদের হয়তো নারী ছেড়া হয় না,, কিন্তু নাড়ী কাটা ধন হয় !!

¤ অনেকের ভাবনা সিজার করতে শুধুমাত্র পেট কাঁটা হয়। জ্বি না ভাই, শুধু পেট নয় সাথে সাতটা পর্দা কেটে বেবিটাকে দুনিয়াতে আনতে হয়! হয়তো বা সিজার করানোর সময় এ্যানেসথেসিয়ার জন্য বুঝা যায় না পেট কাটাটা! খেয়াল করে দেখবেন, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনটা স্যালাইন শেষ হয়! কিন্তু মোটা সিরিন্জ দিয়ে মেরুদণ্ডে দেয়া ইনজেকশনটা প্রতিটা সিজারিয়ান মাকে সারাজীবন কষ্ট দেয়! এই ইনজেকশন এর সাইড এফেক্ট অনেক বেশি।

মা গুলোর কখনো কখনো শরীরের বিভিন্ন জায়গা অবস হয়ে থাকে, বসা থেকে উঠতে পারে না, সংসারের যাবতীয় কাজ করতে ওনাদের অনেক কষ্ট হয়! তবুও করতে হয়, কারন ওনারা নারী জাতী! সংসারের যাবতীয় কাজকর্ম তাদেরকেই সামলাতে হয়!

বিশ্বাস করুন, যখন। এ্যানেসথেসিয়ার / অবসের মেয়াদটা চলে যায়, তখন প্রতিটা মা মূরগীর মতো ছটফট করতে থাকে, ২৪ ঘন্টা এক টানা সিজারিয়ান মায়ের শরীরে স্যালাইন চলে! শরীরের ও কাটা জায়গার ব্যাথার জন্য ক্যানোনিকাল স্যালাইন চলে টানা ২৪/৩২ ঘন্টা। টানা ২ দিন শরীরে খিচুনি ও মাথা ভারি হয়ে বিছানায় পরে থাকতে হয় প্রতিটা মায়ের!

# যদি কোনো প্রতিষ্ঠান সিজারের প্রয়োজন নেই, তাও ব্যবসার জন্য কোনো মা'কে সিজার করায়, তাহলে আল্লাহর কাছে তাদের কঠিন জবাবদিহি করতে হবে!! যথা সম্ভব সিজারকে না বলুন!!

¤ তথ্যটা একটু পড়ুন!! করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে সিজারের হার অনেক কমেছে। মায়ের মৃত্যুর হারও কমেছে। নরমালে জন্ম নিচ্ছে সুস্থ সবল শিশু। করোনায় লকডাউনে দেশে ১ লাখ ৭৫ হাজার শিশুর জন্ম হয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ৪ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে সিজার করে। বাকি ৯৬ শতাংশ শিশুর জন্ম হয়েছে নরমাল ডেলিভারিতে।

লেখা: সংগৃহিত ~~
ছবি: ইন্টারনেট থেকে ।
----- • ---------------------------------

নতুন দলের প্রথম দিনে ৪ টা জিনিস জোশ লাগছে। ০.পার্টির নাম ঘোষণা করেছেন একজন শহীদের বোন। ১.মঞ্চে কোন চেয়ার ছিলো না। সবাই ...
02/03/2025

নতুন দলের প্রথম দিনে ৪ টা জিনিস জোশ লাগছে।

০.পার্টির নাম ঘোষণা করেছেন একজন শহীদের বোন।

১.মঞ্চে কোন চেয়ার ছিলো না। সবাই হাটুগেড়ে বসেছিলো। ঠিক আন্দোলনের মতো। মেসেজটা পরিষ্কার, এই দলে কোন একক নেতা নাই। পারিবারিক নেতা নাই। এইখানে অনেকজন নেতা আছেন।

২. হাসনাত আব্দুল্লাহ আজকেও ঐ সবুজ জার্সি পরে মঞ্চে উঠেছিলেন। এইটা তাঁর ট্রেডমার্ক। যেই জার্সি পরে তিনি আন্দোলন করেছেন, সেই গেটআপ নিয়েই রাজনীতির মঞ্চে উঠাটা সিম্বোলিক। এইটা কাকতালীয় না।

৩. মাথায় লাল সবুজ পতাকা জড়িয়ে নাহিদ ইসলাম স্লোগান তুললেন, ক্ষমতা না জনতা? জনতা, জনতা। একদিন আগে ক্ষমতা ছেড়ে জনতার কাতারে নেমে আসা একজন নেতার মুখে এই স্লোগান যে কতটা সুন্দর ছিলো, বলে বোঝানো যাবে না!!

____ আহসান তাপস ~~

01/03/2025
15/02/2025

✓ পুরুষের শারীরিক চাহিদা পূরণ হলেই তার মানসিক শান্তি ফিরে আসে। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন নারী মানসিক শান্তি পেলে তবেই শারীরিক চাহিদার কথা ভাবে। নারী ও পুরুষের চাহিদার এই ভিন্নতার কারণেই তাদের সম্পর্ক আরও জটিল এবং গভীর।

পুরুষের সমস্ত ডিপ্রেশন এবং ক্লান্তি দূর হয় সঙ্গীর সাথে শারীরিক সংযোগে। যদি আপনি আপনার পুরুষ সঙ্গীকে খুশি করতে চান, তবে তার সাথে অবশ্যই শারীরিক Attachment থাকা প্রয়োজন, এবং তা মন থেকে হতে হবে।

✓ নারীরা, বিপরীতে, মানসিক Attachment-এ বেশি গুরুত্ব দেয়। যদি তার মন ভালো থাকে, তাহলে সে স্বাভাবিকভাবেই শারীরিক সংযোগে আগ্রহী হয়। কিন্তু যদি তার মানসিক অবস্থা ভালো না থাকে, তাহলে সে কোনো কিছুতেই সাড়া দেয় না। নারীর মনই তার আসল শক্তি।

একজন নারী চাইলে একজন পুরুষের জীবনকে নতুন করে সাজাতে পারে। আবার সেই নারী চাইলে একজন পুরুষের জীবনকে পুরোপুরি নষ্টও করে দিতে পারে।

একজন নারী চাইলেই একজন পুরুষকে সম্মানের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। আবার চাইলে তাকে অসম্মানের তলানিতে নামিয়ে আনতে পারে।

নারী চাইলে একজন পুরুষকে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ করতে পারে। আবার চাইলে তাকে নিঃস্ব করে দিতে পারে।

নারী চাইলে একটি সুন্দর পরিবার এবং সুখী সংসার গড়ে তুলতে পারে। আবার চাইলে সেই সংসারকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

নারী একজন পুরুষকে পরিবার, সমাজ, এবং নিজের প্রতি আবদ্ধ রাখতে পারে। আবার চাইলে সে পুরুষকে একা করে, পরিবারহীন করে ছুঁড়ে ফেলে দিতে পারে।

নারী তার শিক্ষা, শক্তি, মায়া, ভালোবাসা এবং মমতার মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

নারী চাইলে একজন পুরুষকে শত খারাপ অভ্যাস থেকে মুক্ত করে ভালো মানুষে পরিণত করতে পারে। আবার ভালো মানুষকে নষ্ট করতেও সক্ষম।

নারী, তোমার প্রতি আমার অগাধ বিশ্বাস।
তুমি তোমার সৌন্দর্য, শিক্ষা, এবং ভালোবাসার শক্তি দিয়ে তোমার সংসার, পরিবার এবং সমাজকে সুন্দর করে তুলবে। তোমার প্রেম হোক তোমার সংসার, তোমার ভালোবাসা হোক তোমার স্বামী, আর তোমার মায়ার বাঁধন হোক তোমার সন্তান।

নারী, তুমি চাইলেই অনেক কিছু করতে পারো। তুমি পারো, পুরো পৃথিবী বদলে দিতে! তোমাকে জানাই সেলুট।
---------------- • ----------------

We have the best place for your Dream Event! ¤ Our Facilities: - 3 cozy Dining Hall Rooms. - A small Hall Room for frien...
15/02/2025

We have the best place for your Dream Event!

¤ Our Facilities:
- 3 cozy Dining Hall Rooms.
- A small Hall Room for friends and families.
- A child friendly Play Zone.

🤵 Capacity: 400+ people (With safety standards)
🍽️ Food: Thai/ Chinese/ Mughal/ Bangla or any kind of dishes as customers required.

The restaurant has a nice decoration. Comfortable furnishings and decor with soothing warm tone.

We arrange a variety of parties such as weddings, receptions, marriage day, birthday party, social party, corporate party & seminars etc.

📞 Call us: 01610608755, 02-47214404, 01916048070
📍 Find us: 926/C Khilgaon Taltola, Dhaka-1219
------------------ ▪︎ ------------------
.

31/01/2025

Address

Kosti

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanzila Imran UK posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share